Choi Jhal

৳ 1

Categories: ,

Description

আসেন একটু গল্প করি চইঝাল নিয়ে। চইঝাল সাধারণত মাংসের সাথে অ্যাড করে রান্না করে খাওয়া হয়। যা মাংসে বাড়তি ফ্লেভার অ্যাড করে। তবে সকল মাংসের মধ্যে গরুর মাংস এবং খাসির মাংসের সাথে চইঝাল এর কম্বিনেশন সবথেকে বেশি সমাদৃত। যা আপনার রেসিপিকে আরও লোভনীয় করে তুলে। যারা সাধারণত ঝাল একটু বেশি পছন্দ করে তাদের কাছে চইঝাল মানে অন্য রকম কিছু। অামাদের দেশে সাধারণত দুই ধরনের চইঝাল পাওয়া যায়। একটি হল দেশি চইঝাল যা সাধারণত খুলনা, বাগেরহাট এবং যশোরে উৎপন্ন হয়ে থাকে। আর অন্যটি হল পাহাড়ি চইঝাল। এর মধ্যে দেশি চইঝাল সবথেকে উন্নত এবং দামও বেশি। তো এবার আসন্ন কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে সমগ্র দেশব্যাপী চুইঝাল সরবরাহ করব। আর যে চইঝালটি সরবরাহ করব সেটি আমাদের দেশি চইঝাল। আর কথা দিচ্ছি সব থেকে ফ্রেশ চইঝাল সরবরাহ করব। মোটা এবং চিকন অনুযায়ী চইঝাল এর দাম এর পার্থক্য হয়।

কিছু বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেই বিস্তারিত নিচে দিয়ে দিচ্ছি। এই আলোচনার বাইরেও যদি কারও কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই ইনবক্স এ অথবা সরাসরি ফোন কলের মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন।
আর সবাই বিস্তারিত জেনেই তারপর অর্ডার করবেন।

চইঝাল সংরক্ষণ পদ্ধতিঃ

যেহেতু এটি একটি কাচামাল তাই যারা অনেকদিন রেখে খেতে চান তাদেরকে অবশ্যই প্রপার উপায়ে এটিকে সংরক্ষণ করতে হবে। না হলে নষ্ট হয়ে যাবে। সংরক্ষণ পদ্ধতি খুব একটা জটিল নয়। এটি খুবই সহজ। আমার জানামতে দুইটি পদ্ধতি আছে। আমি দুইটি পদ্ধতি নিচে লিখে দিচ্ছি।

পদ্ধতি ১ঃ

চই ঝাল হাতে পাওয়া মাত্রই চই ঝাল এর ছালটি আপনারা ছুরি অথবা বটি দিয়ে ছাড়িয়ে নিবেন অর্থাৎ চইঝাল এর ভেতরের অংশের উপরের যে আবরণ থাকে সেটিকে তুলে ফেলবেন। এরপর চইগুলাকে টুকরা টুকরা করে কেটে নিবেন। তারপর সেগুলো ভাল করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। তারপর সেগুলোকে রোদে রেখে দিবেন অথবা কোন একটি শুকনা কাপড় দিয়ে চইঝালগুলোকে পেচিয়ে দিবেন যাতে করে চইঝাল এ কোন পানি জমে না থাকে। তবে রোদে শুকিয়ে নেওয়াটাই বেটার। তারপর চইঝাল শুকিয়ে গেলে সেগুলোকে একটি এয়ারটাইট বক্স এ করে ডিপ ফ্রিজ এ রেখে দিবেন। এভাবে চই অনেক দিন ভাল থাকবে।

পদ্ধতি ২ঃ

চই ঝাল এর ছাল গুলোকে ছাড়িয়ে নিয়ে টুকরা টুকরা করে কেটে আমরা মাংস যেভাবে কসাই মসলা দিয়ে ঠিক সেভাবেই সেম মসলাগুলো দিয়ে চইঝালকে কসিয়ে নিয়ে একটি এয়ারটাইট বক্স এ করে ডিপ ফ্রিজ এ সংরক্ষণ করবেন। এভাবেও অনেক দিন ভাল থাকবে। যখন প্রয়োজন হবে ওখান থেকে কিছুটা নিয়ে মাংসের সাথে দিয়ে রান্না করে খেতে পারবেন।

রেসিপিঃ

খুবই সহজ এবং কমন একটি রেসিপি বলে দিচ্ছি। আরও অনেক রেসিপি আপনারা ইউটিউব ঘাটলে পেয়ে যাবেন।

মাংস রান্না করার সময় মাংস কসানোর পর যখন আপনারা ঝোলের পানি দিবেন ঠিক তখন চইঝালের টুকরাগুলোকে অ্যাড করে দিবেন। আর কোন কাজ নাই। অটোমেটিক্যালি মাংসের সাথে চই ও সিদ্ধ হয়ে রান্না হয়ে যাবে।

দেশি চই (বাগেরহাট এবং খুলনা থেকে সংগৃহীত)

১ঃ Grade A: (সবথেকে মোটা সাইজ)

২ঃ Grade B: (Grade A এর পরের সাইজ)

৩ঃ Grade C: (Grade B এর পরের সাইজ)

৪ঃ Grade D: (Grade C এর পরের সাইজ)

অর্ডার এর পরিমাণঃ

১. ২৫০ গ্রাম

২. ৫০০ গ্রাম

৩. ১ কেজি

করাও যদি ১ কেজি এর বেশি প্রয়োজন হয় সেইটাও দেওয়া যাবে।

অর্ডার নেওয়া হবে সামনের মঙ্গলবার পর্যন্ত।
সামনের বৃহষ্পতিবার অথবা শুক্রবার এ একেবারে ফ্রেশ চই সংগ্রহ করে প্যাকেজিং করে কুরিয়ার করা হবে। সমগ্র দেশেই সরবরাহ করা হবে। কুরিয়ার চার্জ ক্রেতাকে বহন করতে হবে।